a
ফাইল ফটো
চলতি বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) অষ্টম আসর বসছে না। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ব্যস্ত থাকায় আসরটি আগামী বছরের জানুয়ারিতে মাঠে গড়াবে। শনিবার বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়।
২০২১-২০২২ মৌসুমের ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচী ঘোষণা করেছে বিসিবি। সেখানে বিপিএলের নেই কোন উইন্ডো। বিপিএলের গর্ভনিং কাউন্সিলের সেক্রেটারি ইসমাইল হায়দার চৌধুরী জানান, নভেম্বরে পাকিস্তান সফরের কারণে বিপিএল আয়োজন করা হলে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে না, এজন্য বিপিএল হচ্ছে না।
ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এই আসরটি ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি শুরু হবে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে এবং পরবর্তী বছরে আসর বসবে জানুয়ারির শুরুতে।
ইসমাইল হায়দার আরও জানান, বিপিএলের জন্য আমাদের সামনে কয়েকটি উইন্ডো খোলা ছিল। নভেম্বর তার মধ্যে একটি। কিন্তু ওই সময়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ আছে। আবার ডিসেম্বরে আয়োজন করা যেত, তখন নিউজিল্যান্ড দল সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে। সেসব কারণে আমাদের আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত আসরটি স্থগিত রাখা হয়।
ছবি: সাকিব আল হাসান ও আকরাম খান
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে না খেলে আইপিএলে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিসিবিকে দেয়া চিঠির কোথাও তিনি লিখেননি যে, তিনি টেস্ট খেলতে চান না। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান চিঠি না পড়েই মিডিয়ায় বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
বিপরীতে মুখ খুলেন আকরাম খান। বিসিবির এই পরিচালক বললেন, ‘সাকিবের আইপিএলে খেলার অনুমতি পুনর্বিবেচনা করা হবে।’ রবিবার সন্ধ্যায় বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বাসায় বৈঠকে বসেন সংস্থার বেশ কজন শীর্ষ পরিচালক। সভাশেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আকরাম খান।
সাকিবের বক্তব্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘সাকিবের ইন্টারভিউ এখনো পুরোপুরি দেখিন অনেক কথার মধ্যে একটা কথা শুনেছি যে, ও চিঠি দিয়েছে এবং আমি নাকি চিঠি পড়িনি। আপনারা অনেকে আজ ফোন করেছেন। তাহলে ঠিক আছে, আমি হয়তো ভুল বুঝতে পারি। ও টেস্ট খেলতে চাচ্ছে, ওর কথায় বোঝা গেছে। তাহলে কাল-পরশু বোর্ডের সবার সঙ্গে কথা বলে (আইপিএলের) এনওসি (অনাপত্তিপত্র) নিয়ে চিন্তা করব।’
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে তাঁকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার গুরগাঁওয়ে মেদান্ত মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢাকায় গত ৩০ আগস্ট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর গতকাল দুপুরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় পাশের রাজ্য হরিয়ানার ওই হাসপাতালে।
মেদান্ত মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. অরুণ গার্গ বলেছেন, ‘তাঁর (তোফায়েল আহমেদ) অবস্থা স্থিতিশীল। আমরা তাঁকে আরও পর্যবেক্ষণের জন্য আইসিইউতে রেখেছি।’ সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের নয়াদিল্লির ব্যুরো চিফের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে ডা. গার্গ বলেছেন যে, তিনি তাঁর চিকিৎসক দলের সঙ্গে অসুস্থ নেতাকে পরীক্ষা করে কিছু মেডিকেল চেক-আপের পরামর্শ দিয়েছেন।
ডা. গার্গ আরো বলেন, ‘দুশ্চিন্তার কিছু নেই, আশা করি আগামী দুই/এক দিনের মধ্যে আমরা সবকিছু ঠিকঠাক হলে তাঁকে (তোফায়েল আহমেদ) কেবিনে পাঠাতে পারবো।’